Content

Saturday, December 19, 2015

Book Review: Kiriti Sengpta's "A Freshman’s Welcome"



Dictum and Dialectics of "A Freshman’s Welcome"

Closing your eyes, just think about a fresher’s poetry. It is confusing as well as agonizing to write a review on it. We become confused, as because we are not honest. Can you imagine publishing a preview-book on/of a newcomer poet? It seems really tough in Bengali culture.

The book "A Freshman’s Welcome" intends to exploit ‘backstage stories' of poets. Nowadays ‘Poetry’ has become a residual job for economically empowered people. It provides a glamorous effect. Hence, it is quite impossible to believe in the existence of a poet who chooses poetry as a career option. On the other hand, "poetry has limited readership." This is the background where 'A Freshman’s Welcome" starts its journey.
Author Kiriti Sengupta has an instinctive ability to hold readers’ hands with lucid sentences. He has a great sense of 2Ps- 1) Poetry and 2) Promotion. A proper amalgamation of these 2Ps could provide stimulation among the limited readers of poetry. A new trend of modern publication in recent years has been the large-scale promotion of books through the preview and review, which often sensitizes the readers about an author and his/ her creation. The book "A Freshman’s Welcome" has enough potential to mobilize masses for Tanmoy Bhattacharjee’s "Heights of Life."
Historically speaking, Bengali poets have an ancient tradition to split up into parties. Here is an exception. You may miss that blind support. Kiriti remained honest to introduce Tanmoy.
In "Tanmoy & I," Kiriti siphoned an outline of the entire journey by explaining "What goes on behind the scenes between writers," as editor Don Martin advised.
In "Tanmoy and Poetry," and "Tanmoy’s Heights of Life," the author intends to highlight Tanmoy’s poetry with analytical dimensions.
Narrative approach with a recapitulation of memories has been adopted for the purpose of "Fresher’s Introduction." Personal experience exploration and proper citation are the integral part of this sixteen-page book. The book also thoroughly analyses the constraints faced by the newcomers. Finally, the back cover of the book promotes Tanmoy Bhattacharjee’s ‘Heights of Life’ in a pictorial form.
Book: A Freshman’s Welcome
Author: Kiriti Sengupta
Publisher- Hawakaal Publisher
ISBN: 978-83-85783-62-3
Price- Rs. 60/-


Wednesday, November 25, 2015

প্রকাশিতঃ ট্রাভেলগ স্কেচ বুক- বুন্দী ভ্রমণ




বুন্দী বলিরেখা আর স্মৃতির রেখাচিত্র  
প্রকাশ কাল- ২৫শে নভেম্বর, ২০১৫
পত্রিকা- শব্দের মিছিল
সম্পূর্ণ লেখার লিংক- http://www.sobdermichil.com/2015/11/shambo.html
 
এরপর এখানে রাত আরও গভীর হয়ে আসবে। পাথর- ছবি জড়ো করে উদ্বাস্তু হৃদয় যত হেঁটে বেড়াবে অলিগলি। যৌবন যৌতুক রাখা কয়েকজন নিজের জঠরে জমাবে শহরের বলিরেখা। অখন্ড নীরবতার পেলব গন্ধ মাখা অজস্র তুলি আঁকতে থাকবে জীর্ণ মানুষের ইতিহাস। আরবল্লীর বুকে ইতিহাসের দোহাই দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে মৌচাক সদৃশ বুন্দীর রাজপাট।আর চম্বল নদী বিভাজিকা টেনেই যাবে।  
    
ধূসর প্লীহা- ধমনী- অঙ্গুলি সন্নিবেশে
অলৌকিক গল্পমালার ক্ষান্তিহীন হরফ কিছু
জমা থাকুক এভাবে অথবা যেভাবে 
অঙ্গচ্ছেদের শল্যাঘাতে তৃপ্তিহীন মাথা উঁচু।

রাভেলগ স্কেচবুক। গোটা ভ্রমণ বৃত্তান্ত স্কেচ করে খাতায় তুলে রাখেন অনেকেই। অনেকে শুধু ছবি আঁকেন, অনেকে আবার এলোমেলো ভাবে লেখা-রেখা সবটাই খাতায় তুলে রাখেন। বাংলা পত্রপত্রিকায় সচরাচর ট্রাভেলগ স্কেচবুক প্রকাশিত হয়না। বাংলা বই হিসেবে ট্রাভেলগ স্কেচবুক প্রকাশের ঘটনা বিরল। দেবাশীষ দেব ছাড়া আর কারও ট্রাভেলগ স্কেচবুক বই হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে বলে আমার জানা নেই। আসল গল্পটা হ'ল আমার 'বুন্দী' ভ্রমণের ট্রাভেলগ স্কেচবুক প্রকাশিত হয়েছে 'শব্দের মিছিল' পত্রিকায়। তবে এক্ষেত্রে বলে রাখা দরকার, আমি ট্রাভেলগ স্কেচবুকের বিশুদ্ধতা বজায় রাখতে পারিনি। খানিকটা ইচ্ছাকৃত ভাবেই। কম্পিউটারের ছোঁয়া লেগেছে।
নীচে লিংক দিয়ে দিলাম। দেখে/পড়ে নিতে পারেন

www.sobdermichil.com/2015/11/shambo.html

Thursday, November 12, 2015

টেগোর হিলঃ জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঘরদোর



টেগোর হিলঃ জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঘরদোর
(আগেকার পোস্টের অংশবিশেষ)
পালিয়ে প্রেম করতে আসা শালিক পাখিদের কাছে অনবদ্য জায়গা এই টেগোর হিল। ঐতিহাসিক মোরাবাদি ময়দান পেছনে ফেলে যে রাস্তাটা সোজা সায়েন্সসিটির দিকে বেরিয়ে যাচ্ছে, সে রাস্তায় মাথা উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ৩০০ মিটার উঁচু পাহাড়-টেগোর হিল
স্থানীয় রিকশা চালকের দল টেগোর হিলকে টাইগার হিলবলে চালিয়ে দেয়। তথাকথিত শিক্ষিত নাগরিক সমাজ অবিশ্যি টেগোর হিলকেগুরুদেও আর এন টেগোর’-এর বাড়ি বলে থাকেন। প্রথমদিকে আমায় এও শুনতে হয়েছে যে এখানে বসে টেগোর লিখেছিলেন গীতাঞ্জলী। তবে এসব ঢপের কেত্তন! পাহাড়ের বুকে যে সাদা বাড়িটা উঁকি দিচ্ছে, তার আসল মালিক হলেন কবিগুরুর বড় ভাই জ্যোতিরিন্দ্র নাথ ঠাকুর।এর উল্লেখ পাহাড়ের গায়েই আছে।

১৯০৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ প্রশাসনিক দায়িত্ব নিয়ে রাঁচিতে এসেছিলেন। তারপর দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন এখানে। সেসময় স্থানীয় জমিদার হরিহর সিংহের থেকে কিনে নিয়েছিলেন এই বাড়ি।এ বাড়ির নাম ছিল শান্তি ধাম
গত শতাব্দীর গোড়ার দিকে যখন বাঙালি বাবুরা রাঁচির লালপুরে তাদের কলোনি বানাতে শুরু করলেন, সে সময় মোরাবাদি ছিল তাদের বৈকালিক ভ্রমণের স্থান। পুরোন বইপত্তর ঘাঁটলে দেখা যায়, সে সময় বাঙালী বাবুর দল গরুর গাড়ি চেপে এ অঞ্চলে ঘুরতে আসতেন। কুস্তী দেখতেন মরাবাদি ময়দানের কাছে। সে সময় সবুজ প্যাস্টেল ঘঁষা পাথুরে এই পাহাড়ের নাম ছিল, ‘মোরাবাদি হিল। এসময় রাঁচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসী স্বামী বিশুদ্ধানন্দ এ অঞ্চলে ত্রাণের কাজ করেছিলেন। পরবর্তীতে এখানেই রামকৃষ্ণমিশনের শাখা প্রতিষ্ঠিত হয়। রামকৃষ্ণমিশনের সাথে সাধারণ বাঙালির যোগাযোগ অনেকদিনের। ফলত লালপুর অঞ্চল থেকে মোরাবাদি পর্যন্ত একটা গভীর যোগসূত্র স্থাপিত হয়। যা কালক্রমে টেগোর হিলকে স্থানীয় মানুষের কাছে এক অমোঘ টানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে।
১৯২৫সালে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পর থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত টেগোর হিলস্থানীয় মানুষের কাছে ব্ল্যাকলিস্টেড জায়গায় পরিণত হয়। কেননা, রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে টেগোর হিলস্থানীয় অপরাধীদের কাছে মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছিল। এরপর ১৯৬৩ সালে ঠাকুর বংশের বংশজ পূর্ণিমা ঠাকুর মাত্র ২০,০০০ টাকার বিনিময়ে টেগোর হিলবেঁচে দেন।
বিপুল বাঙালি ভোটের অংককে মাথায় রেখে ঝাড়খণ্ড সরকার এই বাড়ির সংস্কার করেন। কিন্তু চূড়ান্ত উদাসীনতার মলিন ছাপ এখনও বিদ্যমান।
তবুও টেগোর হিলআছে টেগোর হিলেই
মন খারাপ করা যে কোন বিকেলে টেগোর হিলের টঙ্গে বসে অথবা জ্যোতি ঠাকুরের ছাদ থেকে দিগন্ত বিস্তৃত শহরের বাড়িঘর, গাছপালা, টিলা, পুকুরের দিকে চেয়ে থাকলে কেমন ঘোর লাগে। একটা অদ্ভুত সুর খুঁজে পাওয়া যায়। বেঁচে থাকার সুর, ভাল থাকার সুর।

Wednesday, November 4, 2015

শুভ জন্মদিনঃ ঋত্বিক ঘটক



ঋত্বিক ঘটক

আমরা যারা উত্তরবঙ্গের বাঙালি , তাদের অধিকাংশই ওপার বাংলার। ছেলেবেলায় দাদু-দিদার বলা ভূত-রাক্ষসের গল্পের সাথে জড়িয়ে থাকত ওপার বাংলার গল্প।দোমড়ানো চামড়ার অজস্র বলিরেখায় শিশিরের মত জমে থাকত শত বিঘা জমি, পাথরের জামবাটি, শিলনোড়া, কাঁসার বাসন আর দুর্গাপূজার গল্প।অনেকটা পথ পেরিয়ে এসে উত্তর-দক্ষিণে ছিটকে যাবার বৃত্তান্ত মাঝেমাঝেই চুপসে যেত বেলুনের মত।তবু ফিরে ফিরে আসত, আপনার সিনেমার মত। আমার বৃদ্ধা দিদা শেষ বয়সে ফিরতে চান দেশের বাড়ি। শীতের নিভুনিভু আগুনের উত্তাপে হাত সেঁকতে সেঁকতে দিদা বলতেন নতুন করে শুরু করার গল্প। নিজের ভাই থেকে গেলেন দক্ষিণবঙ্গে। সেই এক গল্প। চাকরি খোঁজার লড়াই। অবিকল আপনার সিনেমার মত।
বাবার বংশেও একই গল্প। একদল থেকে গেল দক্ষিণবঙ্গে। আরেক দল উত্তরে। দুই প্রজন্মের অনেক তফাৎ বেড়ে ওঠায়, ভাষায়।এ অঞ্চলের মানুষ কলকাতায় এলে মুখ খুলতে ভয় পায়, কেননা তাঁদের ভাষা শুনলে লোকে হাসে। এভাবেই ক্ষমতাবানদের সাংস্কৃতিক আগ্রাসন বার বার আঘাত হানে সমস্ত আঞ্চলিক কৃষ্টির উপর।একারণেই ব্রাত্য থেকে যান অমিয়ভূষণ মজুমদার, জগন্নাথ বিশ্বাস, বেণু দত্ত রায় আরও অনেকে... । এভাবেই আপনাকে চিনতে থাকি। নিজের মত করে। আমাদের এখানে মাতৃভাষা দিবসের কবিতা লেখা হয় এভাবে- -এবার বলি তোমার ভাই/ ভাষাটা খুব যাচ্ছেতাই/ পাল্টে ফেল তাড়াতাড়ি/ নইলে খাবে টিটকারি।/... তুই তো ব্যাটা কইলি বেশ/ ভাষা ছাড়ুম, ছাইড়া দেশ!/এখন ভুলুম নিজের নাম/ নাই এদেশে ভাষার দাম!!!’ (একুশে ফেব্রুয়ারী, গৌতমেন্দু রায়)।এই বেদনা আপনি ছুঁয়েছিলেন। এই বেদনায় আপনি বেঁচেছিলেন।
আপনি ভেরিয়ার এলুইনকে চিনতেন? আপনারা হয়ত একই মানুষ ছিলেন। ছোটনাগপুরের যে জঙ্গলে আপনি গিয়েছিলেন, সেখান থেকে অজস্র মানুষ আমাদের এখানে চা বাগানের শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে এসেছিল। সেদিনও তারা ছিল সস্তার শ্রমবাহিনী, আজও তাই। এখনো আমার বাড়ির কাছে কোন বন্ধ চা বাগানে, পাহাড়ে অরন্যে জেগে ওঠে সভ্যতার আদিম সন্তানরা। অন্ন বস্ত্রের শোক ভুলে... উৎসবের মাদকতায়। সমস্ত দিন বন্ধ চা বাগানের সামনে আন্দোলনে পোজ দিয়ে ... বিষাক্ত কচু খুঁজে ঘরে ফেরে সাইলও, রাবু, কৃষ্ণ।পাহাড়ের ছায়া পড়ে তখন গ্রামের উঠোনে। তারপর ভাঙা ঘরের ফুটিফাটা চাল চুইয়ে চাঁদের আলোর ধারা নেমে আসে সারা গ্রামে। জার-ইউ-হাঁড়িয়ায় মদ্যপ অসভ্যরা মেতে ওঠে আদিমপ্রমিস্কিউতিতে। জেগে ওঠেন দাই চিকো শিরি। সাবট্রপিকাল চিরহরিৎ অরণ্যে শোনা যায় ধামসার নিনাদ। চাঁদের দিকে তাকিয়ে তখন কোন কোন আ্যবওরিজিনালপ্রশ্ন করে ... বহু পুরনো প্রশ্ন। ধামসা-মাদলের আদিম আবহে খোলা আকাশের নীচে দাঁড়ানো সেই আদিবাসী কণ্ঠে জেগে ওঠে আপনার সিনেমার সুর।সে সুরে কোন জিঘাংসা নেই, কোন শ্লেষ নেই। বরং উৎসবের তালে তালে মূর্ত হয় একটি সরল অথচ আদিম প্রশ্ন। সব থেকে আদিম প্রশ্ন। আফ্রিকার থেকেও, মানুষের থেকেও, সভ্যতার থেকেও আদিম প্রশ্ন।

হে হে...হেই হে... এ...এ...এ...এ...
ছোকরা চাঁদ, জোয়ান চাঁদ/ ছোকরা চাঁদ, জোয়ান চাঁদ/ ছোকরা চাঁদ, জোয়ান চাঁদ
হে হে...হেই হে... এ...এ...এ...এ...
খবর শোনাও, একটা ছোট্ট খবর তো শোনাও ভাই... শোনাও ভাই...শোনাও ভাই
হে হে...হেই হে... এ...এ...এ...এ...
ছোকরা চাঁদ, জোয়ান চাঁদ/ ছোকরা চাঁদ, জোয়ান চাঁদ/ ছোকরা চাঁদ, জোয়ান চাঁদ
হে হে...হেই হে... এ...এ...এ...এ...
যখন সূর্য উঠবে, ভোরের আলো ফুটবে/ তোমায় সেই খবরটা বলতে হবে-
হে হে...হেই হে... এ...এ...এ...এ...
কি জানতে চাই, আহা! ব্যস্ত কেন- এখনই তা বলছি শোন
সূর্য উঠবে যবে/ কানে কানে বলে যাবে---
কেমন করে কিছু খেতে পাই, কিছু খেতে পাই’’? (প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের গানের অংশ)