Content

Sunday, July 19, 2015

হাত থাকতে মুখে কেন?



হাত থাকতে মুখে কেন?


ছেলেবেলায় কোন বইয়ের সূচনায় একটা শব্দবন্ধ আমার চোখে পড়েছিল- মুখবন্ধ। এরপর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন শব্দবন্ধ চোখে পড়ে। পরে বুঝেছিলাম, মুখবন্ধ, প্রস্তাবনা, নান্দীমুখ, গৌরচন্দ্রিকা... কায়দা ছাড়া কিছু নয়। আসলে সব ব্যাটাই এক ।  
সে সময় থেকেই মাথায় আসে , মন খুলে কিছু বলার আগে মুখবন্ধলিখব কেন? এটা হয়তো একটা প্রতীক। আসলে মুখ বন্ধ করে চলাফেরা করাই শ্রেয়। মুখ খুললেই সাড়ে সর্বনাশ। এর সাথে দেওয়া-নেওয়ারও একটা সম্পর্ক আছে। বোবার কোন শত্রু নেই। কথাটা ঠিক। আবার কখনো কখনো বেঠিকও বটে। যে ব্যাটারা ভেবেছিলেন, হাত থাকতে মুখে কেন- তাদেরও নিস্তার নেই। শার্লি এবেদো থেকে অসীম ত্রিবেদী- রেহাই পান নি কেউ। তবুও হাত আটকায় এমন সাধ্য কার!
মানুষের পড়াশুনোর অভ্যাস কমতে কমতে এমন জায়গায় এসে পৌঁছেছে যে ফেসবুকে যেসব স্ট্যাটাস পড়ে শেষ করতে ছয় মিনিট টাইম লাগে, তাতেও লাইকানো শুরু হয় স্ট্যাটাস আপডেটের এক মিনিটের মাথায়। এদিক দিয়ে কার্টুনিস্টরা (না খেয়ে মরলেও) লাকি। তাদের কাজ যদি ফ্রী তে বিলিয়ে দেওয়া যায়, তবে লোকজন একবার অন্তত চেয়ে দ্যাখে। তাই ঠিক করলাম হাত থাকতে মুখে কেন। তবে মুখের প্রয়োজনীয়তা অবশ্যই আছে। তাই একেবারে বাদ দিতে পারলাম না। 

Political Empowerment of Women: Still an illusion




Political Empowerment of Women: Still an illusion

For centuries, women of the nation have stayed in the cave of societal taboos, have maintained their distinctive culture of living, have sustained on their family lives, and now they are struggling to overcome poor socioeconomic condition. 


 
Nowadays ‘Women Empowerment’ has become a common phrase. The concept of ‘Empowerment’ was firstly highlighted by the Political Scientists. Undoubtedly, effective utilization of human potentials and realization of knowledge about him/herself are believed to be the most critical capabilities of individuals. Probably this is the root of ‘Empowerment’. 
Schuler and Riley (1996) conceptualized ‘Empowerment’ as “ The means of creating a social environment in which one can make decisions and make choices either individually or collectively for social transformation. It strengthens the innate ability by way of acquiring knowledge, power and experience”. But some social scientists often observes ‘Empowerment’ as a mental process which compels to authorize over one’s own destiny. It mainly deals peoples ’thought process and their control over resources which finally lead them to take action.
Traditionally women were considered a passive worker in the society. Hence, political empowerment is needed to melt the ice. Political empowerment has direct relationship with social empowerment. Recently, Government had taken special interest in the empowerment of women. Their seats in Panchayat election were reserved. The strategy adopted in these villages had changed the traditional perception regarding women’s place within and outside the family. This dimension considers the issues like- Political Awareness, Protest Power, and Participation in election and panchayat meetings. Although many aspects have been considered, they do not cover all aspects of political empowerment. Moreover, due to variation in mental and socio-economic conditions, the aspects may vary from society to society. Leadership quality is now considered as the major aspect of political dimension.
74th Amendment Act, 1992
The 73rd and 74th amendments were enacted during 1992, which lead the way for democratic decentralization. The concept of grassroots governance came into existence. 33% of total seats at the local government level were considered for the women reservation. As a result women participation was ensured. But it is a state of illusion.
Challenges
1.      Male dominated society is unable to synthesize woman as a leader.
2.      Often women candidates are selected because of the mandate. The main activities are run by the males.
3.      Illiteracy is a major factor which hinders the process of political empowerment.
The women of this nation have stayed outside the realm of the self-motivation and self-reliance. Male dominated society for various needs, ranging from economic to social system has utilized women as the prime unit of child production. These concepts have been gradually integrated and incorporated in the social system of human beings. Domestic activities are often considered as the prime job of women. The economically developed world as well as some of the underdeveloped economies still struggling against gender disparities, yet in different ways and meanings.
 
(This column is an adoption of an article, entitled as 'Women Empowerment: Concept, Context and Challenges' by Atanu Deb alias Shree Shambo (KDB, Jan, 2015 )

Farmers' Suicide in India/ ভারতীয় চাষিদের আত্মহত্যা



 ‘বহুদূর বিদর্ভ নগরে’ অন্ধকারে
সাল ২০১৫। নারায়ণ ওগারে, নরেশ নেওয়ালে, সুরেশ মাসানে সহ ১২ জন চাষির আত্মহত্যার খবরে নড়েচড়ে বসল দেশ। তথ্য বলছে, ততদিনে মহারাষ্ট্রের বিদর্ভের বিভিন্ন গ্রামে শেষ একবছরে আত্মহননকারী কৃষকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৭৪। আমাদের চেনা-জানার সীমাকে প্রবল ভাবে ঝাঁকুনি দেওয়া এই তথ্য ক্রমে আরও ভয়ংকর রূপ ধারণ করে। ২০শে মে, ২০১৪ থেকে ২৪শে মে, ২০১৫ – এই একবছর সময়কালে ১৩০৬জন কৃষক আত্মহত্যা করেছেন এই দেশে। ভারতীয় মিডিয়া যখন বর্তমান ‘আচ্ছে দিন’ সরকারের একবছর পূর্তি উপলক্ষে স্তাবকতায় মগ্ন তখন বিদর্ভ সহ এদেশের অজস্র চাষি সীমাহীন অন্ধকারে আত্মহননে মগ্ন। এ লজ্জা কার?

‘বিদর্ভ’ নামটি শোনার সাথে সাথেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ফুটিফাটা রিক্ত, খরা কবলিত উশর মাঠ। আর তার থেকেও মলিন বৃদ্ধ কৃষক দু’ফোটা জলের আশায় বসে আছেন। এই প্রতীকী ছবি মিডিয়ার সৌজন্যে সকলেই দেখেছেন। অথচ যে খবরটা মিডিয়া বেমালুম চেপে গিয়েছে, তা হ’ল- ‘ফান অ্যান্ড ফুড ভিলেজ’ নামক অভিজাতদের জলক্রীড়ার প্রমোদ কানন, যা বিদর্ভেই অবস্থিত। এখানে ১৯টিরও বেশী জলক্রীড়ার ব্যবস্থা রয়েছে। একদিকে অভিজাতদের প্রমোদের জন্য জলের অপচয় আর অন্যদিকে খরার প্রকোপ। কীভাবে ক্রমাগত এইসব চাষিদের বেঁচে থাকার ন্যুনতম সামগ্রীর বিপ্রতীপে নিদারুণ আমোদের ব্যবস্থা করা হয়েছে, কীভাবে ক্রমাগত ভুমিক্ষয়ের মত ক্ষয়ে যাচ্ছে দশ হাজার বছরের চাষবাসের ইতিহাস,- ক্ষয়ের এই পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার বৃত্তান্ত এখনও মুলস্রোতের মিডিয়ায় জায়গা পায়নি।
 তথ্য বলছে, ১৯৯৭ থেকে ২০০৫-এর মধ্যে এদেশে প্রত্যেক ৩২ মিনিটে একজন চাষি আত্মহত্যা করেছে। তবুও আমরা চুপ ছিলাম। কেননা, সভ্য নাগরিক সমাজের বাইরে প্রান্তিক মানুষের জীবনবৃত্তান্ত নিয়ে আমরা ভাবিত নই।
যে দেশে ৬৬% গ্রামীণ শ্রমিক কৃষিকাজের সাথে যুক্ত, যেদেশে অধিকাংশ কৃষক তাঁর পারিবারিক কৃষির উপর নির্ভরশীল- সেখানে দিনের পর দিন কর্পোরেট স্বার্থে কৃষিনীতি গ্রহণ করা হয়েছে। উচ্চফলনশীল তথা হাইব্রিড বীজ ধ্বংস করেছে সহস্র বছর ধরে প্রকৃতির উদ্বর্তনে বেঁচে থাকা অজস্র দেশজ বীজকে। চাষের খরচ যেমন বেড়েছে, তেমনই মুনাফার লোভ দেখিয়ে যথেচ্ছ ভাবে রাসায়নিক সারের ব্যবহার জমির প্রকৃতিকে মৃত্যুর খুব কাছে নিয়ে এসেছে। এই চাষ ভিত্তিক কর্পোরেট রাজনীতি ও তার কার্যকরণ খুব জটিল এবং সে বিষয়ে আলোচনা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই সব আত্মহত্যার প্রেক্ষাপট আলোচনা করতে বসলে এসব বিষয়কে আলোচনার বাইরে রাখার একটা সুচিন্তিত প্রয়াস লক্ষ্য করা যায়।
পরিশেষে যে বিষয় নিয়ে না বললেই নয়, তা হ’ল- যেসব চাষিরা আত্মহত্যা করেছেন, তাঁরা সকলেই ঋণের জালে জড়িয়ে গিয়েছিলেন। বিদর্ভের এই বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অধিকাংশ চাষিই তুলো চাষ করেন। বিটি কটন, যথেচ্ছভাবে রাসায়নিক সারের প্রয়োগ, খরা প্রভৃতি তাঁদের চাষের খরচ বাড়িয়েছে। তেমনই চাষের খরচ চালানোর জন্য ঋণ নিয়ে সর্বস্বান্ত কৃষকের কাছে ফসল নষ্ট হওয়া জীবন নষ্ট হওয়ার সামিল।
একটা তথ্য দেওয়া যাক। ১৯২৩ সালে ব্রিটিশ রয়্যাল কমিশন তাঁদের রিপোর্টে জানিয়েছিল, “The Indian agriculturists are born in debt, live in debt and die in debt, passing on their burden to those who follow”.
এরপর ৯২ বছর পেরিয়ে গেল। আমরা স্বাধীনতা লাভ করেছি। একই সমস্যা এখনও রয়ে গিয়েছে। শুধু তার পরিধি আর প্রকরণ আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।
তাহলে কীসের স্বাধীনতা? কীসের পরিবর্তন? কীসের ‘আচ্ছে দিন’? কাদের ‘আচ্ছে দিন’?
‘প্রশ্নগুলো সহজ আর উত্তরও তো জানা’

ভুলে থাকার পাসওয়ার্ড

ভুলে থাকার পাসওয়ার্ড
(বিধিসম্মত সতর্কীকরণঃ এই লেখা কোন মহৎ সত্যের উদ্ঘাটন করেনা, বরং বেগের সাথে পা মিলেয়ে চলার সাথে সাথে ফেলে আসা আবেগের দিকে পেছন ফিরে চায়। তাই নেহাত ব্যক্তিগত আবোলতাবোল ছাড়া কিছু আশা করবেন না)।
বর্ষার সময় আমাদের শহর আরও সবুজ হয়ে যেত কাঁঠাল গাছের ডালে অর্কিড জমে থাকত। কালচে মেঘের ছায়া পড়ত ডিমা নদীর জলে। আলিপুরদুয়ারের বেশীরভাগ নদীতেই হাঁটু জল থাকে। তবে বর্ষায় ফুলে উঠত। তখন সাজো সাজো রব পড়ে যেত। সবাই পোটলা বাঁধত। দামী জিনিসপত্র সিলিঙে তুলে দিত। আমি তিরানব্বইয়ের বন্যা দেখেছি। এখনও অস্পষ্ট কিছু স্মৃতি রয়ে গিয়েছে। মাঝে মাঝে আকাশের গোঙরানি আর চপচপে হিউমাস কাদায় চপর চপর শব্দ আমাকে আচ্ছন্ন করে রাখত। এরপর অবিরাম ধারাপাতমানকচুর ছাতা মাথায় আড়ষ্ট পায়ে ছুটে চলে স্কুল ফেরত কিশোর- কিশোরী...ক্রমশ বৃষ্টি ধারায় মুড়ে যেত সবকিছু। টিনের চালে ঝিমঝিম বৃষ্টির শব্দ ঢেকে দিত শহরের সব শব্দ। ডুয়ার্সের জঙ্গল প্রথম চিনেছিলাম বর্ষা কালেই। টিউশন থেকে পালিয়ে আমরা রাজাভাতখাওয়া’র জঙ্গলে যেতাম। এভাবেই জয়ন্তী পাহাড়ে গিয়েছিলাম। এরপর বয়স বাড়ার সাথে সাথে যখন অন্য জায়গাগুলোয় গিয়েছিলাম, তখন নিজেকে ট্যুরিস্ট মনে হয়েছিল। বেঁচে থাকাটাই কেমন নকল হয়ে যেতে থাকে।
বুক জুড়ে তখন অর্কিডের ঘ্রাণ। অবাক বিস্ময়ে চেয়ে থাকতাম জঙ্গুলে ফার্নের দিকে। সাহস ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। সুযোগ পেলেই বন্ধুরাআলিপুরদুয়ার নিউটাউন গার্লস’-এর গলিতে চক্কর কাটে এভাবেই একদিন সরস্বতী পূজার সময় মেয়েদের স্কুলে ঢুকেছিলাম। হলদেটে বিকেলগুলো অদ্ভুত শান্ত। আমরা সাইকেল নিয়ে পাশাপাশি চলতাম। রাতে পড়া হয়ে গেলে অহেতুক ভাটবাজি করে অজস্র সময় নষ্ট করেছি।

এভাবে ভাবতে ভাবতে ক্রমশ স্মৃতিরা জুম আউট হয়ে যাচ্ছে... ধীরে ধীরে সমস্ত ক্লোজ শট কেমন যেন লং শট হয়ে যায়। মৃণাল সেনের আকালের সন্ধানের শেষ দৃশ্যের মত। বুক গোঙরানো কষ্টের চাঙর যেন মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। শতশত বছরের অবহেলা আর অনুযোগের দাস্তান। আসলে সাহিত্য, শিল্প, বিজ্ঞান সবেতেই ক্ষমতাশীলদের দাপাদাপি। ইতিহাসও বাদ যাবে কেন? শেষ সত্য বলে যা প্রতিষ্ঠিত, তা আসলে ক্ষমতাবানদের একান্ত নিজস্ব। এর ফলেই সৃজিত হয় বিভেদের প্রাচীর। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, এ অঞ্চলের (শুধু এই অঞ্চল কেন, গোটা উত্তরবঙ্গের) ভাষা, কৃষ্টি , সভ্যতা আর ইতিহাসকে অবহেলা করা হয়েছে বছরের পর বছর। এ অঞ্চলের মানুষ কলকাতায় এলে মুখ খুলতে ভয় পায়, কেননা তাঁদের ভাষা শুনলে লোকে হাসে। এভাবেই ক্ষমতাবানদের সাংস্কৃতিক আগ্রাসন বার বার আঘাত হানে সমস্ত আঞ্চলিক কৃষ্টির উপর।একারণেই ব্রাত্য থেকে যান অমিয়ভূষণ মজুমদার, জগন্নাথ বিশ্বাস, বেণু দত্ত রায় আরও অনেকে... ।
এখন আমি যখন  শহরে ফিরি, তখন অদ্ভুত সবুজ ভাললাগারা চারপাশে ঘুরে বেড়ায়। আমি অনুভব করি, ছুঁয়ে দেখতে পারিনা। শহরটাও ক্রমশ বড় হচ্ছে। মাঝে মাঝে লোকগুলোকে বড্ড অচেনা লাগে। আগে পাড়ার মোড়ে মোড়ে সরস্বতী পুজো হ’ত। এখন অনেক কমে গিয়েছে। আগে বিকেল হলেই ক্রিকেট ছিল, এখন ফেসবুক। সবার ছেলেবেলার শহরের কী একই অবস্থা?
এখন আমার হাতে রঙের গন্ধ লেগে থাকে না। হাতে ডট পেনের আঁচড় গায়েব হয়েছে। রঙ-লেখা সব কম্পিউটারেই হয়। আমাদের প্রিয় সিরিয়াল ছিল- ‘শক্তিমান’। এখন ওসব দেখলে হাসি পায়! আমরা কী বোকা ছিলাম। আলিপুরদুয়ার আসলে ডুয়ার্সের অঘোষিত রাজধানীর নাম । কবির শহর আলিপুরদুয়ার। বেনু দত্তরায় কেমন আছেন? কিছুদিন আগে ‘দেশ’-এ ওনার কবিতা দেখলাম। জগন্নাথ বিশ্বাস মারা গিয়েছেন অনেকদিন। অদ্ভুত মানুষ। নেচার ক্লাবের একটা অনুষ্ঠানে প্রথম দেখেছিলাম। বিশ্বাস করা দায়, একজন রক্ত মাংসের মানুষ –যিনি কলকাতার নিওন আলো উপেক্ষা করে থেকে গেলেন বন-পাহাড়ের গলিপথে। মাঝে মাঝে পাহাড়ে ছড়িয়ে আসতেন অজস্র গাছের বীজ। এখনও অনেকেই কবিতা লেখেন। ফেসবুকের দৌলতে আঁতিপাঁতি সব্বাই কবি। শুধু দলবাজি করাটা জরুরী। জায়গা মত তেল দরকার। একমুখে ‘আনন্দ’কে গালি দিচ্ছে, আবার ‘দেশ’-এ লেখা প্রকাশিত হলে ফেসবুক ফাটিয়ে আপডেট দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠান বিরোধী ইমেজ বানানোর চেষ্টা ভাল। তবে ‘প্রতিষ্ঠানবিরোধী’ প্রতিষ্ঠান তৈরির  ঠুনকো আকুতি দেখলে ঘোড়ায় হাসে।
সেসময় অনেক লিটল ম্যাগাজিন বের হ’ত এ শহর থেকে। কেমন আছে ‘মাটির ছোঁয়া’? ‘নোনাই’ এখনও প্রকাশিত হয়? – অনেকদিন কারো সাথে কথা নেই। আমাদের ‘ধ্রুব’ কবেই বন্ধ হয়েছে। আমরাও এসব লেখালেখির বাইরে। শুধু
কম্পিউটার ভরিয়ে ‘গবেষণা পত্রের’ নামে ‘গো-এষণা’ করে যাচ্ছি।
এই প্রচণ্ড গতিকে অস্বীকার করার উপায় নেই। তবুও কয়েকটা কথা বলে নেওয়া দরকার। সোশাল নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল মাধ্যম- আমাদের অনেক ধাপ এগিয়ে দিয়েছে। অনেকদিনের আমাদের ছেলেবেলারা এখন আবার ‘হাই-হ্যালো’ করে নিজেদের মধ্যে। তবুও কোথায় যেন একটা ফাঁক থেকে যাচ্ছে। বড্ড তাড়াতাড়ি বুড়িয়ে যাচ্ছি। আসলে এভাবে বেঁচে থাকার একটা সুখ আছে। সেখানে খুশি নেই। এই অন্তর্জাল আমাদের ভুলে থাকার পাসওয়ার্ড দিয়েছে। সব ভুলে বেঁচে থাকার পাসওয়ার্ড।
এক বছর আগে ‘লেখালেখি’ ওয়েবম্যাগে ‘কামতাপুরের রাজপাট’ বিষয়ক একটা নিবন্ধে এই কথাগুলোই লিখেছিলাম। সেই লেখা থেকে অনেকটা অংশ তুলে দিচ্ছি এখানে-
আজ আট বছর আমি ঘরছাড়া।কিন্তু আমি ভুলিনি।জঙ্গলে জঙ্গলে, চিলারায়ের বিলুপ্ত রাজপাটে ভুত-পেত্নীর মত জেগে থাকে অজস্র স্মৃতি, ইতিহাস। যে ইতিহাস গোঁসানিমারি রাজপাট অতিক্রম করে আঠারোকোঠা পেরিয়ে বিধৃত হয়েছিল অসমে। পর্তুগীজ পর্যটক স্টিভেন ক্যাসিলার চিঠি এখনো খোঁজ করে চলেছে হিঙ্গুলাবাসের রাজপাটের।  হয়ত ফেরার পথ নেই। কেননা ভাল ভাবে বাঁচতে হলে কলকাতা ছাড়া উপায় নেই।সেই উপায় এখনো কোন সরকার তৈরি করেনি। এখনো আমার বাড়ির কাছে কোন বন্ধ চা বাগানে, পাহাড়ে অরন্যে জেগে ওঠে সভ্যতার আদিম সন্তানরা। অন্ন বস্ত্রের শোক ভুলে... উৎসবের মাদকতায়। সমস্ত দিন বন্ধ চা বাগানের সামনে আন্দোলনে পোজ দিয়ে ... বিষাক্ত কচু খুঁজে ঘরে ফেরে সাইলও, রাবু, কৃষ্ণপাহাড়ের ছায়া পড়ে তখন গ্রামের উঠোনে। তারপর ভাঙা ঘরের ফুটিফাটা চাল চুইয়ে চাঁদের আলোর ধারা নেমে আসে সারা গ্রামে। জার-ইউ-হাঁড়িয়ায় মদ্যপ অসভ্যরা মেতে ওঠে আদিম প্রমিস্কিউতিতে। জেগে ওঠেন দাই চিকো শিরিসাবট্রপিকাল চিরহরিৎ অরণ্যে শোনা যায় ধামসার নিনাদ। চাঁদের দিকে তাকিয়ে তখন কোন কোন আ্যবওরিজিনালপ্রশ্ন করে ... বহু পুরনো প্রশ্ন। ধামসা-মাদলের আদিম আবহে খোলা আকাশের নীচে দাঁড়ানো সেই আদিবাসী কণ্ঠে জেগে ওঠে প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের আফ্রিকার গানএর মত কোন দেশজ গান।সে গানে কোন জিঘাংসা নেই, কোন শ্লেষ নেই। বরং উৎসবের তালে তালে মূর্ত হয় একটি সরল অথচ আদিম প্রশ্ন। সব থেকে আদিম প্রশ্ন। চিলারায়ের রাজপাটের থেকেও, আফ্রিকার থেকেও, মানুষের থেকেও, সভ্যতার থেকেও আদিম প্রশ্ন।

হে হে...হেই হে... এ...এ...এ...এ...
ছোকরা চাঁদ, জোয়ান চাঁদ/ ছোকরা চাঁদ, জোয়ান চাঁদ/ ছোকরা চাঁদ, জোয়ান চাঁদ
হে হে...হেই হে... এ...এ...এ...এ...
খবর শোনাও, একটা ছোট্ট খবর তো শোনাও ভাই... শোনাও ভাই...শোনাও ভাই
হে হে...হেই হে... এ...এ...এ...এ...
ছোকরা চাঁদ, জোয়ান চাঁদ/ ছোকরা চাঁদ, জোয়ান চাঁদ/ ছোকরা চাঁদ, জোয়ান চাঁদ
হে হে...হেই হে... এ...এ...এ...এ...
যখন সূর্য উঠবে, ভোরের আলো ফুটবে/ তোমায় সেই খবরটা বলতে হবে-
হে হে...হেই হে... এ...এ...এ...এ...
কি জানতে চাই, আহা! ব্যস্ত কেন- এখনই তা বলছি শোন
সূর্য উঠবে যবে/ কানে কানে বলে যাবে---
কেমন করে কিছু খেতে পাই, কিছু খেতে পাই?
কেমন করে কিছু খেতে পাই, কিছু খেতে পাই?  

Friday, July 10, 2015

অং বং চং The Bong Connection

অং বং চং The Bong Connection

Friday, June 5, 2015

World Environment Day

Social Toonzzz WHAT WE ARE!

Thursday, June 4, 2015

Maggi ২ মিনিট!
কেউ কথা রাখেনি। ম্যাগি, ম্যাগি'র ২ মিনিট আর ম্যাগি'র লেড। ব্যাচেলাররা এতদিন ম্যাগি'র সাথে অতিরিক্ত লেড খেয়েছে, এবার খিদে পেলে ল্যাদ খাবে!!!  আর ২মিনিট ন্যুডল্-এর অ্যাড করে বিপাকে বিগ বি, প্রীতি জিন্টা আর মাধুরী দীক্ষিত।