যখন যেভাবে ‘ছবি’ এঁকেছি, কোন না কোন কবিতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই এঁকেছি। ব্যক্তিগত জীবনে একটা ট্রমার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আবার আশ্রয় নিয়েছি কবিতার কাছে। এভাবেই কোন বিনিদ্র রজনীতে খুঁজে পেয়েছিলাম স্প্যানিশ কবি অ্যান্টোনিও মাচাদো’র ইংরেজি অনুবাদ। এভাবেই এঁকেছিলাম সাথের ছবিটি।
শেষ
রাতের তন্দ্রাচ্ছন্ন অক্ষরমালা
শেষ রাতে যখন চোখ মুদে এসেছে ঘুমে
একটা স্বপ্ন দেখেছিলাম- অনবদ্য ভ্রান্তির স্বপ্ন!-
আমার একটা মৌচাক আছে
আমার হৃদয়ের অনন্ত গভীরে।
আমার সমস্ত ব্যর্থতা দিয়ে
সোনালী মৌমাছিরা
তৈরি করছে এই সাদা মৌচাক
আর অমৃত মধু।
একটা স্বপ্ন দেখেছিলাম- অনবদ্য ভ্রান্তির স্বপ্ন!-
আমার একটা মৌচাক আছে
আমার হৃদয়ের অনন্ত গভীরে।
আমার সমস্ত ব্যর্থতা দিয়ে
সোনালী মৌমাছিরা
তৈরি করছে এই সাদা মৌচাক
আর অমৃত মধু।
শেষ রাতে যখন চোখ মুদে এসেছে ঘুমে
একটা স্বপ্ন দেখেছিলাম- অনবদ্য ভ্রান্তির স্বপ্ন!-
সপ্তাশ্ববাহী ঝলমলে সূর্য
আমার হৃদয়ে ঢেলে দিচ্ছে অজস্র আলোর রেণু।
এই সূর্য সততই ঝলমলে
কেননা হৃদয়ের তাপ অনুভব করেছিলাম,
যেহেতু এই সূর্য আমায় আলো দিয়েছিল
যেহেতু এই সূর্য আমার চোখে জল এনেছিল।
একটা স্বপ্ন দেখেছিলাম- অনবদ্য ভ্রান্তির স্বপ্ন!-
সপ্তাশ্ববাহী ঝলমলে সূর্য
আমার হৃদয়ে ঢেলে দিচ্ছে অজস্র আলোর রেণু।
এই সূর্য সততই ঝলমলে
কেননা হৃদয়ের তাপ অনুভব করেছিলাম,
যেহেতু এই সূর্য আমায় আলো দিয়েছিল
যেহেতু এই সূর্য আমার চোখে জল এনেছিল।
শেষ রাতে যখন চোখ মুদে এসেছে ঘুমে
একটা স্বপ্ন দেখেছিলাম- অনবদ্য ভ্রান্তির স্বপ্ন!-
এই আলো, এই স্বপ্ন-এসব আসলে ঈশ্বর,
লুকিয়ে আছে আমার অনন্ত গভীরে।
একটা স্বপ্ন দেখেছিলাম- অনবদ্য ভ্রান্তির স্বপ্ন!-
এই আলো, এই স্বপ্ন-এসব আসলে ঈশ্বর,
লুকিয়ে আছে আমার অনন্ত গভীরে।
.jpg)
No comments:
Post a Comment