Content

Wednesday, February 24, 2016

বইয়ের খবর



 দণ্ডকারণ্যের অন্ধকারে
ভেরিয়ার এলউইনের সাথে যেদিন আমার প্রথম ঘনিষ্ঠ আলাপ হলো, সেদিনই তিনি আমাকে বললেন, তোমাকে আমি ভারতের সব চাইতে রোমাঞ্চকর আদিবাসীদের দেশে নিয়ে যাব। অনেক ক্ষেত্রে আফ্রিকার আদিবাসীদের চাইতেও তারা ভয়ঙ্কর।
- এভাবেই বইটা শুরু হয়েছে।
নৃতত্ত্ব নিয়ে যারা খোঁজ রাখেন, তাঁদের কাছে ভেরিয়ার এলউইনের নাম নতুন নয়। ভারতীয় নৃতত্ত্ব গবেষণার প্রাণপুরুষ ভেরিয়ার এলউইন এদেশে এসেছিলেন ধর্মপ্রচারের উদ্দেশ্যে। এরপর সব কিছু ছেড়েছুড়ে হয়ে গেলেন গবেষক এলউইন।

আশুতোষ ভট্টাচার্যের লেখা ‘দণ্ডকারণ্যের অন্ধকারে’ আরও নতুন ভাবে চিনিয়ে দেয় মানুষ এলউইনকে। এই বইটিই বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম ‘নৃতত্ত্ব-মূলক ভ্রমণ’-এর বই। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপনার চাকরি ছেড়ে লেখক নাম লেখালেন ভারতের নৃতত্ত্ব সমীক্ষায় (Anthropological Survey of India)। পরে ১৯৫৫ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আধুনিক ভারতীয় ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ’-এ যোগ দেন। মাঝের আট বছর তিনি কাটিয়েছেন সমীক্ষার কাজে। লেখকের ভাষায়- ‘এই বৃত্তান্তটি ‘দণ্ডকারণ্যের অন্ধকারে’ এই নামেই ‘দৈনিক বসুমতী’ পত্রিকায় প্রতি রবিবারের সংখ্যায় কিছুকাল ধরে ধারাবাহিক প্রকাশিত হয়েছিল’।
ডঃ ভেরিয়ার এলউইনের সাথে তাঁর কাজ করার দুর্লভ অভিজ্ঞতা বিধৃত হয়েছে এই বইয়ে। বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭৪ সালে। এইমাত্র শেষ করলাম।
দ্বিতীয় খন্ডের খোঁজ থাকলে দয়া করে জানাবেন।

1 comment: